ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত ওড়িশায় মৃত ৭, নিখোঁজ আরও ২ https://ift.tt/3hODCqh - MAS News bengali

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত ওড়িশায় মৃত ৭, নিখোঁজ আরও ২ https://ift.tt/3hODCqh

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ওডিশার একাংশে ক্রমাগত ভারী বর্ষণের জেরে তৈরি হয়েছে। বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন দু'জন। বিগত তিন দিন ধরে রাজ্যে লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। যার জেরে ওডিশার একাধিক জেলা প্লাবিত। স্পেশ্যাল রিলিফ কমিশনার প্রদীপ কুমার জেনা সাংবাদিকদের জানান, ও বানভাসি হওয়ার কারণে গত তিন দিনে রাজ্যে সাত জন মারা গিয়েছেন। এর মধ্যে চার জনই ময়ূরভঞ্জ জেলার। দু'জন মারা গিয়েছেন কেওনঝাড়ে। সুন্দেরগড় জেলায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২ জন। ময়ূরভঞ্জ, বালাসোর, জাজপুর, ভদ্রক, বৌধ, কেন্দ্রপাড়া ও সোনেপুরে ব্যাপক বৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভদ্রকের জেলাশাসক শুক্রবার জানান, অবিরত বৃষ্টি হতে থাকায় জলের স্তর ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। প্রতিটা ব্লকই ভারী বৃষ্টিতে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত। চাষের জমি ডুবে গিয়েছে। সরকারি আধিকারিকরা চাষের জমির ক্ষয়ক্ষতি হিসেব করতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে এনডিআরএফ, ওডিআরএফ ছাড়াও দমকলের কর্মী-আধিকারিকদের উদ্ধারকাজে নিয়োগ করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকাজে তদারকির জন্য সরকারের বরিষ্ঠ আধিকারিকেরা রয়েছেন। আরও পড়ুন: স্পেশ্যাল রিলিফ কমিশনার জেনা জানিয়েছেন, প্রায় ৭ হাজার দুর্গতকে উদ্ধার করে সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৈতরণি, ব্রাহ্মণী, সুবর্ণরেখা এবং বুধাবালঙ্গা নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। একাধিক জেলায় নিচু অঞ্চল ছাড়াও চাষের খেতগুলি বৃষ্টির জলে নিমগ্ন হয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার ছত্তীসগঢ় ও পশ্চিম ওডিশার জেলাগুলিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল মৌসম ভবন। ফলে, ব্রাহ্মণী, সুবর্ণরেখার জল উপচে নতুন নতুন অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই দুর্যোগের মধ্যেই সুখবর, নিম্নচাপ দক্ষিণ-পশ্চিম ঝাড়খণ্ডের দিকে সরছে। আরও পড়ুন: এদিকে, দক্ষিণবঙ্গেও কয়েক দিন ধরে নিম্নচাপের বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছে একাধিক জেলার চাষের জমি। ভেঙে গিয়েছে সেতুও। রাস্তাঘাট জলের তলায় চলে যাওয়ায়, বিভিন্ন জেলার একাধিক গ্রামের সঙ্গে সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একটানা বৃষ্টিতে মেদিনীপুর সদর ব্লকের কনকাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতে লোহাটিকরির সেতু ভেঙে যায়। ওই গ্রামে খালের উপর দিয়ে কৃষিজমিতে যাওয়ার জন্য এই সেতুটি ছিল একমাত্র যোগাযোগে রাস্তা। বৃহস্পতিবার জলের তোড়ে সেতু ধস খেয়ে নীচে নেমে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে যাতায়াত। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় এলাকার মানুষের রুজি রোজগারে টান পড়েছে । তাই স্থানীয় বসিন্দারা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে সেতুটি যাতে দ্রুত সারানো হয়। হুগলির খানাকুলে বৃষ্টিতে উপচে পড়ছে রূপনারায়ণ। প্লাবিত মাড়োখানা,ধান্যঘোড়ি,জগত্‍পুর,পান শিউলি,রাজহাটি ১ ও ২, জগদীশতলা, কাকনান-সহ খানাকুলের বেশ কয়েকটি গ্রাম। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নন্দনপুরের সঙ্গে। মায়াপুর গড়ের ঘাটে প্রধান সড়ক জলের তলায়। খানাকুলের বহু পরিবার ঘরছাড়া। রূপনারায়ণের জল গ্রামে ঢুকছে। জল ঢুকছে ঘরবাড়িতেও । রূপনারায়ণের জলে বন্যার ভ্রুকুটি দেখছে খানকুলের মানুষ। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3hNg1G4
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads