সোনিয়ার পক্ষে দলের ১ শতাংশের সমর্থনও নেই, ফের তোপ 'বিদ্রোহী' আজাদের https://ift.tt/31E6VWU - MAS News bengali

সোনিয়ার পক্ষে দলের ১ শতাংশের সমর্থনও নেই, ফের তোপ 'বিদ্রোহী' আজাদের https://ift.tt/31E6VWU

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন করার দাবিতে ফের একপ্রস্থ সুর চড়ালেন দলের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদ। সোনিয়া গান্ধীর নাম না-করেই তিনি বলেন, বর্তমানে যাঁকে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ করে রাখা হয়েছে, তাঁর পক্ষে দলের এক শতাংশ সমর্থনও নেই। কংগ্রেসে অভ্যন্তরে আমূল সংস্কারের দাবি জানিয়ে দলের যে ২৩ নেতা অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে সম্প্রতি চিঠি লিখেন, তাঁদের অন্যতম গুলাম নবি আজাদ। বিদ্রোহীদের বার্তা দিতে সংসদের বাদল অধিবেশনের আগে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার নতুন কমিটি করে, সেখানে অহমদ পটেলের মতো বিশ্বস্তদের নিয়ে আসেন সোনিয়া। কারণ হিসেবে সমন্বয় জোরদার করার কথা বলা হলেও আদতে 'বিদ্রোহী'দের সাইডলাইনে পাঠানোই উদ্দেশ্য কংগ্রেস নেত্রীর। যে কারণে দায়িত্বে একাধিক রদবদল করে, গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠদের নিয়ে আসা হয়। সোনিয়া গান্ধীর সেই পদক্ষেপের পরই ফের সুর চড়ালেই 'বিদ্রোহী' নেতা গুলাম নবি আজাদ। শুধু কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির নির্বাচন নয়-- রাজ্যের প্রধান, জেলা সভাপতি, ব্লক সভাপতির মতো সাংগঠনিক যে পদগুলি রয়েছে, সবগুলিতেই নির্বাচন দাবি করেন আজাদ। তিনি মনে করেন, নির্বাচিতরা দলের নেতৃত্ব দিলে সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের ভবিষ্যত্‍‌ সম্ভাবনা উজ্জ্বল হবে। আর যদি তা নয়, প্রবীণ এই নেতার কথায়, 'কংগ্রেসকে আগামী ৫০ বছর ধরে বিরোধী দলের আসনেই বসে থাকতে হবে।' কেন তিনি সাংগঠনিক নির্বাচন চাইছেন, সে ব্যাখ্যাও দেন গুলাম নবি আজাদ। 'যখন আপনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, কমপক্ষে ৫১ শতাংশ ভোট আপনার পক্ষে থাকতে হবে। আপনাকে দলের মধ্যে দুই থেকে তিন জনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। যাঁর পক্ষে ৫১ শতাংশ ভোট থাকবে, তিনিই নির্বাচিত হবেন। বাকিরা ১০ বা ১৫ শতাংশ ভোট পাবেন।' আরও পড়ুন: আজাদ বলেন, 'এখন যে ব্যক্তি ৫১ শতাংশ ভোট পেয়ে সভাপতির দায়িত্বে আসবেন, ধরে নেওয়া যায় তাঁর পিছনে দলের ৫১ শতাংশ মানুষের সমর্থন রয়েছে।' এর পরেই তিনি যোগ করেন, 'বর্তমানে যিনি সভানেত্রী, তাঁর পক্ষে দলের এক শতাংশের সমর্থনও নেই। এমতাবস্থায় যদি কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন হয়, সে ক্ষেত্রে নির্বাচিতদের পদ থেকে সরানো যাবে না। সমস্যাটা এখানেই।' আরও পড়ুন: তিনি আরও বলেন, 'এখন যাঁরা সাংগঠনিক নির্বাচনে ভোটের ভিত্তিতে দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ হলেন, তাঁর বরং এটা ভাবতে পারেন আমরা পরের বার আরও পরিশ্রম করে ফিরে আসব। কিন্তু, দলীয় কর্মীদের এক শতাংশের সমর্থনও বর্তমান সভানেত্রীর সঙ্গে নেই।' দলের নেতৃত্ব সংকট নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই প্রকাশ্যে নিজেদের মতামত জানাচ্ছেন , আনন্দ শর্মার মতো কংগ্রেস নেতারা। সপ্তাহ দুই আগে তা নিয়ে সোনিয়া গাধীকে চিঠি লেখেন কপিল সিব্বল, গুলাম নবি আজদ, শশী থারুর-সহ ২৩ কংগ্রেস নেতা। চিঠিতে যত তাড়তাড়ি সম্ভব একজন পূর্ণমেয়াদি সভাপতি নির্বাচন করার পাশাপাশি দলের অন্দরে রদবদলের আর্জিও জানানো হয়েছিল। চিঠিতে যাঁদের স্বাক্ষর রয়েছে, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, কপিল সিবাল, শশী থারুর, গুলাম নবি আজাদ, পৃথ্বীরাজ চৌহান, বিবেক তনখা, আনন্দ শর্মার নাম, মণীশ তিওয়ারি, রাজ বব্বর, সন্দীপ দীক্ষিত প্রমুখ। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পরেই কংগ্রেসের অন্দরে হুলস্থুল বেধে যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতির পদ ছাড়তে চান সোনিয়া গান্ধী। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3gFhQDU
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads