ভারতেই থ্যালাসেমিয়া মেজর শিশু সবথেকে বেশি, বছরে নতুন করে আক্রান্ত ১৫,০০০ https://ift.tt/2Q99dq4 - MAS News bengali

ভারতেই থ্যালাসেমিয়া মেজর শিশু সবথেকে বেশি, বছরে নতুন করে আক্রান্ত ১৫,০০০ https://ift.tt/2Q99dq4

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় শিশুদের মধ্যে থ্যালেসেমিয়া আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। গোটা বিশ্বের মধ্যে ভারতেই মেজর শিশু সবথেকে বেশি। যাদের নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার পরিসংখ্যান পেশ করে জানান, ভারতে প্রতিবছর রক্তের এই অসুখ নিয়ে ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ শিশু জন্ম নিচ্ছে। এদিন দিল্লিতে ভারতীয় রেড ক্রস সোসাইটির সদর দফতরের ব্লাড ব্যাংকে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং অ্যান্ড কাউন্সেলিং সেন্টারের উদ্বোধন করেন হর্ষ বর্ধন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে রক্তের এই অসুখ সম্পর্কে শিক্ষিত করে তুলতে পারলে, তবেই থ্যালাসেমিয়ার প্রতিরোধ সম্ভব। জানান, গোটা বিশ্বে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় ২৭ কোটি। এর মধ্যে ভারতেই থ্যালাসেমিয়া মেজর শিশুর সংখ্যা সবথেকে বেশি। তাঁর দাবি, সংখ্যাটা ১ থেকে ১.৫ লক্ষের কম নয়। এর মধ্যে প্রতি বছর নতুন করে ১০ থেকে ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, একমাত্র অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপন (bone marrow transplantation) করে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের সুস্থ করে তোলা সম্ভব। কিন্তু, অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপন বা BMT আক্রান্ত সব শিশুর মা-বাবার পক্ষে করানো সম্ভব হয় না। অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ। সেই আর্থিক সংগতি সকলের নেই। তাই ঘনঘন রক্ত পালটে আক্রান্ত শিশুদের বাঁচিয়ে রাখতে হয়। সেইসঙ্গে আয়রন কিলেশন থেরাপি (iron chelation therapy) চালিয়ে যেতে হয়। যাতে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত আয়রন বেরিয়ে যায়। আরও পড়ুন: থ্যালাসেমিয়া বংশগত, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি রক্তের অসুখ। বাবা-মা’র থেকে বাচ্চাদের মধ্যে এই রোগ সঞ্চারিত হয়। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে এই রোগের উৎপত্তি হয়। এর ফলে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনকারী জিনগুলি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধংস হয়ে যায়। লোহিত রক্ত কণিকার মধ্যে হিমোগ্লোবিন হল সেই প্রোটিন যা অক্সিজেন সরবরাহ করে। সাধারণ মানুষের তুলনায় থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের শরীরের লোহিত রক্ত কণিকা কম সৃষ্টি হয়, যার ফলে তাঁরা মৃদু বা তীব্র রক্তাল্পতার শিকার হতে পারেন। থ্যালাসেমিয়া অনেক ক্ষেত্রে মাইক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া হিসাবে দেখা দেয়, যা সাধারণ রক্তাল্পতার থেকে আলাদা। আরও পড়ুন: দু'ধরনের থ্যালাসেমিয়ার মধ্যে বিটা থ্যালাসেমিয়া মাঝারি থেকে গুরুতর হতে পারে। থ্যালাসেমিয়ার সবচেয়ে গুরুতর অবস্থা বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর (বিটিএম) নামে পরিচিত। বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজরে যারা আক্রান্ত, তাদের সারা জীবন রক্ত পরিবর্তনের উপর নির্ভর করতে হয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে লোহিত কণিকার আয়ু ১২০ দিন। কিন্তু, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে লোহিত কণিকা ৯০ দিনও বাঁচে না। লোহিত কণিকার এই ঘাটতির কারণে ঘন ঘন রক্ত পরিবর্তন করার প্রয়োজন পড়ে। লোহিত কণিকা ভেঙে যাওয়ায় শরীরের মধ্যে আয়রন জমতে থাকে। সেই অতিরিক্ত আয়রন শরীর থেকে বের করতেই কিছু ইঞ্জেকশন বা ওষুধ দিতে। জন্ডিস (চোখ হলুদ, প্রস্রাব হলুদ), পেট ফুলে যাওয়া, হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এই রোগের লক্ষণ। তবে, থ্যালাসেমিয়া কোনও ক্যানসার নয়। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়া ভালো হবারও নয়। তবে, থ্যালাসেমিয়া রোগীরা নিয়ম মেনে চিকিৎসা চালিয়ে গেল দীর্ঘ জীবন লাভ করতে পারেন। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2Q2LjwH
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads