পুলওয়ামায় হামলা চালাতে মাসুদ আজহারের ভাইপো পেয়েছিল ₹10 লক্ষ https://ift.tt/2EmK3lX - MAS News bengali

পুলওয়ামায় হামলা চালাতে মাসুদ আজহারের ভাইপো পেয়েছিল ₹10 লক্ষ https://ift.tt/2EmK3lX

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা () সংগঠিত করতে জইশ-ই-মহম্মদ ()-এর প্রধান মাসুদ আজহারের () ভাইপো মহম্মদ উমর ফারুক ()-কে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। ফারুকের পাকিস্তানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা জমা পড়ে। পুলওয়ামাকাণ্ডে ২৫ অগস্ট, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ যে চার্জশিট পেশ করে, তাতেই গোয়েন্দারা এই তথ্য দিয়েছেন। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির ওই হামলায় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী, সিআরপিএফের ৪০ জওয়ান শহিদ হন। সিআরপিএফের কনভয়ে বিস্ফোরক ঠাসা গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়ে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল জঙ্গিরা। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে উঠে আসে (NIA) মহম্মদ উমর ফারুকের তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাকিস্তানি মুদ্রায় ওই ১০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা সংগঠিত করতেই মাসুদের ভাইপোকে ওই টাকা দেওয়া হয়েছিল। কারণ, এই উমর ফারুকই ছিল পুলওয়ামার মূলচক্রী। আত্মঘাতী হামলার () গোটা পরিকল্পনা সে-ই কষেছিল। পাকিস্তানে তার অ্যালাইড ব্যাংক ও মেজান ব্যাংকের অ্যাকাউন্টগুলিতে সংগঠিত হওয়ার কিছুদিন আগে ওই অর্থ ফেলা হয়েছিল। পুলওয়ামার মূলচক্রী, মাসুদ আজহারের এই ভাইপো পরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হয়। কাশ্মীরের বিশেষ আদালতে মঙ্গলবার জমা দেওয়া চার্জশিটে এনআইএ'র গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যাংকে ১০ লক্ষ টাকা জমা করা হয়েছিল। জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতার ওই টাকা ফারুকের অ্যাকাউন্টে দেন। এনআইএ আরও জানায়, এই ১০ লক্ষ টাকার মধ্যে একটি মারুতি ইকো গাড়ি এবং বিস্ফোরক সামগ্রী কিনতে খরচ হয়েছিল ৬ লক্ষ টাকা। ওই মারুতি ইকো গাড়িটি পুলওয়ামা হামলায় ব্যবহার করেছিল আত্মঘাতী বোমারু। সিআরপিএফের কনভয়ে ওই গাড়িটি গিয়েই ধাক্কা মেরেছিল। ২০০ কেজির বিস্ফোরক কিনতেই খরচ করা হয়েছিল ২.৮০ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও ছিল। পাকিস্তান থেকে এসেছিল আরডিএক্স, জিলেটিন স্টিক। মুদাসির আহমেদ নামে জইশের এক হ্যান্ডেলারের উপর এই দায়িত্ব ছিল। চার কেজির অ্যালুমিনিয়াম পাউডার কেনা হয়েছিল অ্যামাজোন থেকে। ওয়াজি উল ইসলাম নামে আর এক হ্যান্ডেলার এর দায়িত্বে ছিল। ক্যালসিয়াম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও জোগাড় করেছিল এই ওয়াসিম। দুটো কন্টেনারে করে মারুতি ইকোয় আরডিএক্স রাখা হয়েছিল। একটির ওজন ছিল ১৬০ কেজি, অপরটির ৪০ কেজি। পুলওয়ামা বিস্ফোরণে এই ২০০ কেজির বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। আরও পড়ুন: চার্জশিটে বলা হয়েছে, শাকির বাশিরের বাড়িতে যাবতীয় বিস্ফোরক জড়ো করা হয়েছিল। সে-ই সবার কাছ থেকে সংগ্রহ করে, ওই বিস্ফোরক নিজের বাড়িতে রাখে। এর মধ্যে ছিল আরডিএক্স, জিলেটিন স্টিক, অ্যালুমিনিয়াম পাউডার ও ক্যালসিয়াম-অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। এগুলি দিয়েই পরে আইইডি তৈরি করা হয়েছিল। আরও পড়ুন: হামলায় ব্যবহৃত সেকেন্ড হ্যান্ড মডিফায়েড মারুতি ইকো গাড়ি কিনতে খরচ হয়েছিল আরও ২.৫ লক্ষ টাকা। সেই গাড়িটিও শাকিরের বাড়ির সামনেই পার্ক করা ছিল। এ ছাড়া আইইডি ডিভাইস, কন্টেনার-সহ টুকিটাকি আরও কিছু কিনতেও কিছু টাকা খরচ হয়েছিল। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2YETROT
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads