ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা ইনস্টা ইনফ্লুয়েন্সার? আপনার উপর চাপতে পারে করের বোঝা https://ift.tt/3tHeg44 - MAS News bengali

ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা ইনস্টা ইনফ্লুয়েন্সার? আপনার উপর চাপতে পারে করের বোঝা https://ift.tt/3tHeg44

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : সোশ্যাল মিডিয়া ক্রমশ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। যোগাযোগ থেকে বিনোদন এবং কেনাকাটা, এটি বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের কাছে হয়ে উঠেছে ওয়ান স্টপ সলিউশন। গত ১০ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে এই সংখ্যাটি বিশ্ব জনসংখ্যার ৫৭% পৌঁছে গিয়েছে, এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। অতএব, প্রভাব বিস্তারকারী বিপণন একটি ব্র্যান্ডের বিপণন কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে এবং সুদক্ষ ভাবে দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করার লক্ষ্যে পৌঁছানোর ও সচেতনতা বৃদ্ধির একটি কার্যকর উপায় হিসেবে দেখা হয়। স্পনসরশিপ এবং বিজ্ঞাপনের টাকা সহ অন্যান্য বিষয়গুলি সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব বিস্তারকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে। কর এবং তার হিসাব কষা সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা প্রভাব বিস্তারকারী তারা তাদের প্রিয় প্ল্যাটফর্ম যেমন ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক এবং স্ন্যাপচ্যাটে নিয়মিত পোস্ট করে প্রচুর সংখ্যক ফলোয়ার তৈরি করেন। অর্থ উপার্জনকারী অন্য কোন ব্যক্তি বা সংস্থার মতোই এই সব প্রভাব বিস্তারকারীদের উপর কর ধার্য করা হয়। করদাতারের ক্ষেত্রে কোম্পানি এবং অংশীদারিত্ব বাদ দিলে বাকী শ্রেনীতে প্রভাব বিস্তারকারীদের ধরা হয় অর্থাৎ- স্ব -নিযুক্ত ব্যক্তি বা ব্যবসা বা ব্যবসায় একক মালিক হিসাবে । আয়কে কোম্পানির উপার্জন হিসাবে বিবেচনা করা হয় প্রভা বিস্তারকারীদের আয় সাধারণত কোম্পানির উপার্জন হিসাবে বিবেচিত হয় যার উপর সাধারণ আয়কর বসবে। কিন্তু যারা চূড়ান্ত করের আওতাভুক্ত বা বিদ্যমান নিয়মের অধীনে করের বাইরে রয়েছেন তাদের এই পরিসর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ইউটিউব প্রোগ্রাম অংশিদার স্পনসরড এবং ব্লগ পোস্ট, ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড রিপ্রেজেন্টেটিভ বা অ্যাম্বাস্যাডার হওয়া, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, কো-ক্রিয়েটিং প্রজেক্ট লাইনস, আপনার নিজস্ব পণ্যকে তুলে ধরা, ফটো এবং ভিডিও বিক্রয়, ডিজিটাল কোর্স, সাবস্ক্রিপশন, ই-বুক থেকে পাওয়া যে কোনো পরিমাণ , পডকাস্ট, এবং ওয়েবলগ, ইত্যাদি, আর্থিক আকারে হোক বা অন্য কোন আকারে হোক না কেন, সব কিছুই ব্যবসায়িক আয় যা নিয়মিত আয়করের আওতায় পড়বে৷ এটা করের আয় বলে মনে হয় প্রভাব বিস্তারকারীর আয় আয়করের সাপেক্ষে 'ব্যবসা এবং পেশা থেকে লাভ ' এই শ্রেনীর অন্তর্গত হতে পারেন। প্রভাব বিস্তারকারীদের ব্যক্তিগত উপার্জন বিদ্যমান করের হারে তা ধার্য করা হয়। একটি আর্থিক বছরে এক কোটি টাকার বেশি উপার্জনকারী প্রভাব বিস্তারকারীদের হিসাবের খাতাপত্রে ট্যাক্স অডিট করতে হয়। এখন যদি সেই আর্থিক বছরে সমস্ত অর্থ প্রদানের ৫% এর বেশি এবং সমস্ত প্রাপ্তির ৫% বেশি নগদে না হয়ে থাকে তাহলে সর্বাধিক ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আয়ে অডিটের সুযোগ হচ্ছে না৷ প্রভাব বিস্তারকারীদের দেওয়া অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে আয়কর আইন অনুসারে উৎসে কর কাটা (টিডিএস) প্রযোজ্য হতে পারে। প্রদত্ত পরিষেবার প্রকৃতি বা লেনদেনের ধরনের উপর এই টিডিএস-এর হার নির্ধারণ করা হবে। জিএসটি-র নিয়ম বিধি পণ্য এবং পরিষেবা করের আওতায় পড়ছে ইউটিউবার্স, ইনফ্লুয়ানশারস এবং ব্লগার পরিষেবাগুলির অনলাইন তথ্য এবং ডেটাবেস অ্যাক্সেস বা পুনরুদ্ধার পরিষেবা (ওআইডিএআর) সম্পর্কিত বিষয়গুলি৷ সহজ কথায়, এই পরিষেবাগুলি এমন পরিষেবা হিসাবে বিবেচিত হয় যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য বিতরণের জন্য তথ্য প্রযুক্তিতে ব্যবহার করে। যদি কোনও আর্থিক বছরে এমন একজন প্রভাবশালীর বার্ষিক লেনদেন ২০ লক্ষ টাকার বেশি হয় তবে তাদের জিএসটি আইনে নথিভুক্ত করতে হবে। তবে বিশেষ শ্রেণীর রাজ্যে বসবাসকারী প্রভাবশালীদের জন্য লেনদেনের সীমা অবশ্য ১০ লক্ষ টাকা। জিএসটি নথিভুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং ব্লগারদের দেওয়া পরিষেবাগুলির উপর ১৮% হারে জিএসটি আরোপ করা হয়। পরিষেবা রফতানির ক্ষেত্রে নিয়ম কি ? কেন্দ্রীয় কর (সিজিএসটি) এবং রাজ্যের কর (এসজিএসটি) ৯-৯% হারে ধার্য করা হয় যা সরবরাহ রাজ্যের অন্তর্বর্তী বা আন্ত রাজ্য কিনা তার উপর নির্ভর করে।। অথবা বলতে পারি যদি ইন্টিগ্রেটেড ট্যাক্স (আইজিএসটি) হয় তাহলে ১৮ % ধার্য করা হয়। পরিষেবা রফতানির কথা বললে, সেক্ষেত্রে জিএসটি হার শূণ্য শতাংশ ।সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাব বিস্তারকারীরা যারা তাদের পরিষেবাগুলি রফতানি করতে চান তাদের কাছে দুটি বিকল্প রয়েছে। তারা হয় লেটার অফ আন্ডারটেকিং প্রদান করে পরিষেবাগুলি রফতানি করতে পারেন অথবা ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি দিয়ে পরে এটি ফেরতের দাবি করতে পারে। গুগলের মতো প্ল্যাটফর্মগুলি প্রভাব বিস্তারকারী দ্বারা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এই পরিষেবাগুলির প্রাপকরা ভারতের বাইরে অবস্থিত। তবে এক্ষেত্রে খরচের জন্য কর ছাড়ের সুবিধা নিতে পারেন। আপনি আপনার করযোগ্য আয় কমাতে আপনার আয় থেকে ব্যবসায়িক খরচ বাদ দিতে পারেন, যা আপনার কর দায় কমাবে। সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাব বিস্তারকারীদের হিসেবের খাতাপত্রে যে সব খরচ বাদ দিতে পারে তার সম্ভাব্য উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে- ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির মতো চিত্রায়নের খরচ; সাবস্ক্রিপশন এবং সফ্টওয়্যার লাইসেন্সিং ফি; ইন্টারনেট এবং যোগাযোগ খরচ; হোম অফিস খরচ যেমন বাড়ি ভাড়াএবং ইউটিলিটি; অফিসে ব্যবহৃত জিনিসপত্র; ব্যবসায়িক খরচ যেমন ভ্রমণ বা পরিবহন খরচ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এই সব খরচগুলি কেবলমাত্র করের ক্ষেত্রে ছাড়যোগ্য যদি সেগুলি এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় হয়৷ Read More :


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3nw4Ur0
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads