মার্চ পয়লা থেকে সরল হচ্ছে কো-উইন, তবু চিন্তায় বয়স্করা https://ift.tt/3pX6NdW - MAS News bengali

মার্চ পয়লা থেকে সরল হচ্ছে কো-উইন, তবু চিন্তায় বয়স্করা https://ift.tt/3pX6NdW

এই সময়: বয়স্ক ও কো-মর্বিডিটির শিকার ব্যক্তিদের টিকাকরণ শুরু হচ্ছে মার্চের প্রথম দিন থেকে। তার জন্য সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করাই শুধু নয়, বেশ সরল করে দেওয়া হয়েছে কো-উইন পোর্টালে নাম নথিভুক্তিকরণের প্রক্রিয়াও। কিন্তু বয়সের ভারে যাঁরা অসুস্থ, চলচ্ছক্তিহীন কিংবা শয্যাশায়ী, তাঁরা কী ভাবে করোনার টিকা পাবেন? মোবাইল, অ্যাপ, পোর্টালে যাঁরা স্বচ্ছন্দ নন, তাঁরাই বা কী করে নাম তুলবেন? কো-মর্বিডিটির কারণে যাঁরা বাড়িতেই বন্দি, তাঁদের টিকাকরণই বা কী করে সহজ হবে? শুক্রবার কো-উইন-২ (Cowin) অ্যাপের কথা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে এই সব জরুরি প্রশ্ন এখন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে। নয়া নিয়মে অবশ্য বাড়ির যে কোনও সদস্য প্রবীণ ও অসুস্থ সদস্যের নাম টিকার () জন্য নথিভুক্ত করে দিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। তার জন্য কো-উইনের পাশাপাশি আরোগ্য সেতু অ্যাপকেও কাজে লাগানোর কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যকর্তারা। কিন্তু অনেকের মনেই প্রশ্ন, এতে কি আদৌ ষোলো আনা বয়স্ক ও অসুস্থদের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে? বয়স্করোগ বিশেষজ্ঞ অরুণকুমার মজুমদারের প্রশ্ন, 'গ্রাম্য, স্বল্প-শিক্ষিত লোকের কথা না-হয় বাদ দিলাম। শহর-গ্রাম, শিক্ষিত-অশিক্ষিত মিলিয়ে কত জনই বা অ্যাপ-পোর্টালের মতো তথ্যপ্রযুক্তিতে স্বচ্ছন্দ?' তৃতীয় পর্যায়ের করোনা টিকাকরণ প্রসঙ্গে অবশ্য অ্যাপ-পোর্টালের ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে সরাসরি টিকাকরণ কেন্দ্রে পৌঁছে নাম তোলা ও টিকা নেওয়ার বিকল্পও খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই অনসাইট বুকিং নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাসের বক্তব্য, 'বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে সরাসরি টিকাকরণ কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়ে যে কত জনের ভিড়ে অপেক্ষা করতে হবে অশক্ত মানুষগুলোকে, তা কে জানে! সবচেয়ে বড় কথা, একদিন কষ্ট করে টিকাকেন্দ্রে পৌঁছে গেলেই তিনি টিকা পাবেনই, এমন নিশ্চয়তাও তো নেই। কেননা, স্লট খালি থাকলে, তবেই মিলবে টিকা।' আর এক বয়স্করোগ বিশেষজ্ঞ, জেরিয়াট্রিক সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার রাজ্য সহ-সম্পাদক ধীরেশ চৌধুরী তাই মনে করেন, বয়স্কদের টিকাকরণ নিয়ে এখনও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ভাবনাচিন্তায় অনেক ফাঁক রয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, 'যাঁরা টিকাকরণ কেন্দ্র পর্যন্ত যেতে পারবেন না, কিংবা গেলেও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য বোধ হয় সত্যিই এখনও কিছু ভাবেননি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যকর্তারা। শুধু বয়স্ক কেন, একই কথা প্রযোজ্য ৪৫-৫৯ বছর বয়সি কো-মর্বিড মানুষদের জন্যও।' বয়স্কদের নিয়ে কাজ করা সংস্থা 'বাঁচবো'র কর্ণধার ধীরেশের পরামর্শ, চিকিৎসাকর্মীদের টিকাকরণ মসৃণ ভাবে করার জন্য যেমন আইএমএ-র মতো চিকিৎসক সংগঠনের সাহায্য নেওয়া হয়েছে, বয়স্কদের টিকাকরণের জন্য তেমনই কাজে লাগানো হোক বয়স্কদের নিয়ে কাজ করে আসা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে। তাঁর সঙ্গে একমত 'কেয়ার কন্টেনিয়াম'-এর কর্তা রানা মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'বয়স্কদের দেখভাল করা, তাঁদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া এবং দীর্ঘ দিন ধরে প্রবীণদের ফ্লুয়ের মতো ভ্যাকসিন দেওয়ায় আমাদের সংস্থার কর্মীরা অভিজ্ঞ। তাই স্বাস্থ্যভবনের কাছে চিঠি লিখে আমরা জানিয়েছি, করোনার টিকা দিতে আমাদের যেন অনুমতি দেওয়া হয়। তা হলে অনেক অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সুষ্ঠু ভাবে টিকা নিতে পারবেন।' তাঁর মতেও, তাঁদের মতো বিভিন্ন সংস্থা বা সংগঠনকে কাজে না-লাগাতে পারলে মাঝপথেই বিরাট হোঁচট খাবে বয়স্কদের টিকাকরণ। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3kpMtRe
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads